স্টাফ রিপোর্টারঃ
লকডাউনের তৃতীয় দিন (২৪জুন ২০২১) বৃহস্পতিবার দিনভর ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের ব্যস্ততম সাইনবোর্ড ও শিমরাইল এলাকায় কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থানে ছিল। গনপরিবহন ও যত্রতত্র যানবাহন চলাচল করতে না পারার কারণে বৃহস্পতিবার এখানে ছিলনা কোন যানজটতো ছিলইনা, গাড়িও চলাচল ছিল সীমিত আকাড়ে। তবে ঢাকা থেকে বিভিন্ন যানবাহন সাইনবোর্ডে এসে হাইওয়ে পুলিশের বাধাঁয় যাত্রী নামিয়ে ঘুরিয়ে যাওয়ায় হাজার হাজার মানুষের ঢল ছিল সাইনবোর্ডে ।সাইনবোর্ড ও শিমরাইল এলাকায় নিয়ে বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ। ফলে সাইনবোর্ড ও শিমরাইল এলাকার চিত্র পাল্টে যায়। কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ সাইনবোর্ড এলাকায় লকডাউনে কঠোর অবস্থানের কারণে ঢাকা থেকে চট্রগ্রাম – সিলেট মুখি কিংবা বিপরীত দিক থেকে ঢাকামুখি কোন গণপরিবহন চলাচল করেনি। অন্যান্য যানবাহন চলাচলও ছিল সীমিত আকাড়ে। সকাল ১১ টায় সাইনবোর্ডে গিয়ে দেখা যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ১৩ টি যানবাহনকে বিভিন্ন অভিযোগে জরিমানা করেছেন। সকাল ১০ টা থেকে বেলা ২ টা পর্যন্ত কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান সাইনবোর্ডে এলাকায় উপস্থিত থেকে চলমান লকডাউনকে বেগবান করতে তার তদারকিতে ও নির্দেশে বৃহস্পতিবার সাইনবোর্ডে ২৫ টি বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে লকডাউন না মানা ও গাড়ির কাগজপত্রে ত্র“টিসহ নানা অভিযোগে মামলা দায়ের ও ২ টি গাড়ি রেকারিং করা হয়েছে। সাইনবোর্ডমোড়ে একাধিক গর্ত ওসি মনিরুজ্জামানকে অন্যান্য পুলিশ নিয়ে গর্ত ভরাট করতে দেখা যায়।এ সময়ে হাইওয়ের নারায়ণগঞ্জ সার্কেলের দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার অমৃত সূত্রধর উপস্থিত ছিলেন। সাইনবোর্ড পুলিশ বক্স্রের পূর্ব দিকে এবং শিমরাইলে স্থানীয় একটি চক্র কর্তব্যরত ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ও সার্জেন্টদের চোখ ফাঁকি দিয়ে অন্যান্য পুলিশ সদস্যদের ম্যানেজ করে মাইক্রোবাস , হাইওয়েস, মোটর সাইকেল যোগে অতিরিক্তি ভাড়ায় যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখাগেছে। এদিকে হাইওয়ে পুলিশ লকডাউনে সাইনবোর্ড এলাকায় মহাসড়কে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় যত্রতত্র যানবাহন চলাচল ব্যাপকভাবে কমেগেছে। ছিলনা সাইনবোর্ডে কোন প্রকার যানজট। সাইনবোর্ড পেরিয়ে পশ্চিমদিকে একটু সামনে এগোলেই ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের চেকপোষ্ট বসানোর কারণে সেখানে সৃষ্টি হচেছ যানজট। মেট্রাপলিটন পুলিশ সদস্যরা চেকপোষ্টের নামে বিভিন্ন যানবাহন এর কাগজপত্র চেক করার নামে প্রতিটি মাইক্রোবাস, হাইয়েস থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে বলে ভুক্তভোগী একাধিক গাড়ির চালক অভিযোগে করেন। সেখানে সৃষ্ট যানজট পূর্বদিকে সাইনবোর্ড এলাকায় গড়াচ্ছে বলে একাধিক পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা অভিযোগে জানান। কাঁচপুর হাইওয়ের ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, গত বুধবার আমরা ৬৩টি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের ও ১লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছি। চলমান লকডাউনে সরকারে নির্দেশনা ব্যতিরেকে কোন যানবাহন কাঁচপুর হাইওয়েতে চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছেনা, হাইওয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।